Wednesday, December 29, 2021

স্নায়বিক ব্যাতার কারণ ও প্রতিকার

দ্বিতীয় দিন

১৩ ই ডিসেম্বর , ২০২০

# ৭ দিন ৭ উত্তর

ওরে বাবারে হাতটা একটু ধর রে ,কোমরটা গেলো রে ।পা টা ঝিন ঝিনে ধরে গেল রে ।উঃ মরে যাবো না কি রে । আর পারিনা ।ব্যথা ব্যথা করে জীবনটা শেষ হয়ে গেলো যে ।

হ্যাঁ এই ব্যথা নানারকমের হতে পারে । হাতে ব্যথা , কোমরে ব্যথা , পায়ে ব্যথা , পেটে ব্যথা, বুকে ব্যথা , গলায় ব্যথা ।কোমর ও পায়ে ব্যথা যখন হয় তখনই সন্দেহ জাগে এটা সায়াটিকা ব্যথা না কি !!

এখন জানবো সায়াটিকা আসলে কি ? সায়াটিকা হল একটা স্নায়ু বা নার্ভ ।এই স্নায়ু বেশ লম্বা হয় ।কোমর থেকে ঊরুর পিছন দিকের দুই পায়ের পিছন দিক দিয়ে নীচে পায়ের পাতা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে এই নার্ভ বা স্নায়ু ।এটাই সায়াটিকা নার্ভ ।


সায়াটিকার ব্যথা কেনো হয় :

সায়াটিক নার্ভে যদি কোনো কারণে আঘাত লাগে বা চাপ পড়ে তাহলে সায়াটিকার ব্যথা হতে পারে ।এই ব্যথা দুই ধরনের হয় ।

১) স্নায়ুতান্ত্রিক ব্যথা ( নিউরোজনিক )

২) প্রতিফলিত ব্যথা ( রেফার্ড পেইন )

১. গর্ভকালীন সময়ে পেট যখন খুব বড়ো হয়ে যায় ।পিছনদিকে সায়াটিকার স্নায়ুতে চাপ পড়ে ।তখন কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয় ।প্রসবের পর এই ব্যথা আস্তে আস্তে চলে যায় ।


২.মেরুদন্ডের দুই কশেরুকার মাঝখানের ডিস্ক অনেকসময় স্থানচ্যুত হয়ে সায়টিকা নার্ভের ওপর চাপ দিতে পারে ।তখনই প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয় ।

৩. প্যান্টের পিছনের পকেটের মানিব্যাগ ভারী হলে অনেক সময় সায়াটিকা নার্ভে চাপ পড়ে ।তখন ব্যথার সৃষ্টি হয় ।

৪. অতিরিক্ত চেহারা ভারী হলে সায়াটিকা নার্ভে চাপ পড়লে ব্যথা হয় ।

৫. দীর্ঘক্ষণ ড্রাইভিং করলে ও সামনে ঝুঁকে গাড়ি চালালে এই ব্যথা হয় ।

৬. দীর্ঘক্ষণ একই ভাবে একই ভঙ্গিমায় কাজ করলে এই ব্যথা হয় ।

৭. বিশ্রাম না নিয়ে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করলে এই ব্যথা হয় ।

৮. মেরুদন্ডে টিউমার হলে সায়াটিকর ব্যথা বাড়ে ।

৯.মেরুদন্ডের হাড় সরু হয়ে গেলে এই ব্যথা বাড়ে ।

লক্ষণসমূহ :

১. সায়াটিকার ব্যথা সাধারণত কোমরের পিছন থেকে পা বরাবর নীচে পায়ের পাতা পর্যন্ত এক প্রবল ব্যথা ।অনেকে একে নিতম্ব ব্যথাও বলে থাকে ।

২. সাধারণত একটি পায়েই ব্যথাটা অনুভূত হয় ।

৩. দীর্ঘসময় ধরে একভাবে কাজ করলে পায়ে শির শির , ঝিনঝিন , ও ব্যথা অনুভূত হয়।

৪. পায়ের পাতায় অসাড় ভাব অনুভূত হওয়া ।

৫. প্রস্বাব পায়খানার বেগ ধরে রাখতে না পারা । প্রস্বাব ধরে রাখতে না পারা ।

৬.চলাফেরা করলে পায়ে ব্যথা অনুভূত হওয়া ।

৭.একভাবে কাত হয়ে শুয়ে বই পড়লে ব্যথা অনুভূত হয় ।

উপসর্গগুলো আচমকা দেখা দেয় ।কিছুদিন পর আবার ভালোও হয়ে যায় ।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনাআপনি সেরে যায় ।৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এটি বেশি দেখা যায় ।

প্রতিকার :

১. ঈষদ উষ্ণ জলে স্নান করতে হয় ।

২.হালকা যোগাসন করলে উপসম পাওয়া যায় ।


৩. ক্রীম , জেল প্রভৃতি ব্যথার স্থানে লাগানো যেতে পারে ।

৪ . ম্যাসেজ করা যেতে পারে ।( ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী )

৫.গরম ঠান্ডা সেঁক দেওয়া ।

৬. ইলেকট্রো থেরাপি ।

৭.হালকা ভাবে পা নাড়ানো ।

৮. খুব নরম বিছানায় না শোওয়া‌।

৯. ফিজিওথেরাপি ।


১০. আকুপাংচার ।


১১. ব্যথার ওষুধ খাওয়া ।এতে অনেক সময় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে ।

১২.স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ ।

১৩. অস্ত্রপ্রচার ।

১৪. একই ভাবে অতিরিক্ত পরিশ্রম না করা ।

১৫.কোমরে বেল্ট ব্যবহার করা যেতে পারে ।

১৬. আকুপ্রেসার জুতো ।


দীর্ঘদিন একইভাবে যন্ত্রণা হলে নিউরো সার্জেন , নিউরোলজিস্ট এর পরামর্শ নেওয়া দরকার ।

চিত্র সূত্র : গুগল

Tuesday, December 28, 2021

বিয়ে সম্পর্কে

⛔বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানী এর লিস্টঃ----

১.বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে,,আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!

২.বলা হলো মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে,,আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না দেখতে!

৩.বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে,,আর আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!

৪.বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে,,আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে !

৫.বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে,আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!

৬.বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে,,আর আমরা শুরু করলাম আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!

৭.বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে,,আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!

৮.বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে,, আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!

৯.বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে।আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!

১০.বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে,,আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!

১১.বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে,,আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!

১২.বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে,,আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!

১৩.বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে,,আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!

১৪.বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে,,আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!

১৫.বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে,,আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!

১৬.বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে,,আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!

১৭.বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে,, আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে! 

১৮.বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে,,আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!

১৯.বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে,,আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!

২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম engagement / Registry ( হিন্দুয়ানী প্রথা) করে রাখতে। 

আরো এইরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সব সময় উল্টো টা করেই থাকি। আমাদের কারনেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে,,বিয়েতে বরকত কমে গেছে,,সংসারে অশান্তি লেগেই থাকে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা তার কারণ আমরা বিবাহে  সুন্নাত থেকে সরে যাচ্ছি....

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুক...
আল্লাহুম্মা আমিন 🌸

Wednesday, December 22, 2021

বর্তমান ভবিষ্যৎ চাহিদা

 বিষয়ে (subject) লেখাপড়া বা ডিগ্রী থাকলে ভবিষ্যতে বেশী চাহিদা হবে যে বিষয়গুলো। 
যত ধরণের জ্ঞান বিজ্ঞান দেখেন ও জানেন, তার সবই আবিষ্কার হয়েছে ১৬০০ সালের পরে। যত যন্ত্রপাতি দেখেন, তার সবই আবিষ্কার হয়েছে ১৯০০ শতকে। এই ১৯০০ শতকের প্রথম দিকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি আবিষ্কার শুরু হয়, এত পরে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, অবশেষে কম্পিউটার এর যুগ শুরু হয়। ২০০০ সালের পরে, সেই কম্পিউটার এর যুগ কিছুটা বদলে, স্মার্ট ফোনের যুগ শুরু হয়।

মোট কথা, গত ১০০ (±) বছর ধরে পদার্থবিজ্ঞান এর যুগ চলেছে (ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক)। এর পরের ১০০ (±) বছর কিসের যুগ চলবে বলে আপনার ধারণা?

এর পরের যুগটি হবে জীব-বিজ্ঞান এর যুগ। নতুন ধরণের ভাইরাস, এন্টি-ভাইরাস, জীবাণু অস্ত্র, জেনেটিক প্রযুক্তি, ডিএনএ গবেষণা, উচ্চ ফলনশীল ফসল, উন্নত চাষাবাদ ইত্যাদি ব্যাপক আকারে বিস্তার লাভ করবে।

ভবিষ্যৎ দেখানোর আগে, আপনাকে বর্তমান দেখাই। জীবনে কোনদিন এটা কল্পনা করেছিলেন যে - গেটের দারোয়ান, থার্মোমিটার দিয়ে ডাক্তারের জ্বর মেপে, তারপরে তাকে বিল্ডিং এ ঢুকতে দেবে। করোনা সঙ্কটে এমন দৃশ্য প্রতিদিন দেখা গেছে।

মাত্র ১০-২০ বছরের ভেতরে এমন একটি যুগ আসবে, যখন অনেক কিছু দেখবেন, যেটা আগে কল্পনাও করেন নি। মানুষ দামী গাড়ীতে চড়বে, কিন্তু পেটে খাবার থাকবে না। এক বস্তা চাল এর দামে, একটি গাড়ি কেনা যাবে। জীবাণুর প্রকপে, বিশুদ্ধ খাবার পানি একটি দামী বস্তুতে পরিনত হবে। একসাথে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উতপন্ন করে, এমন একজন চাষী, শিল্পপতিদের চেয়েও ধনী হবে।

মোট কথা, ভবিষ্যতের পৃথিবীতে দুইটি জিনিস দেখা যাবে। এক, জীবানুর প্রকোপ, দুই, খাদ্যে ও পানির অভাব। জীববিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান এগুলোর চাহিদা শতগুন বেড়ে যাবে। এখন যেমন ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তি দিয়ে দুনিয়া চলছে। ভবিষ্যতে, দুনিয়া চলবে জীববিজ্ঞান ও কৃষিবিজ্ঞান দিয়ে। এই দুটি বিষয়ের মধ্যে, কৃষিবিজ্ঞান অপেক্ষাকৃত সহজ। তাই, ভবিষ্যতের চাহিদার কথা চিন্তা করলে - কৃষিবিজ্ঞান সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় (subject)।

আমি এতক্ষন যেসব ভবিষ্যতবানী বললাম, এগুলো সব যদি মিথ্যা হয়, তবুও কৃষিবিজ্ঞান সেরা। ভবিষ্যত লাগবে না - এই যুগেও কৃষিবিজ্ঞান এর খুব চাহিদা। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ লোকজনের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ আছে, যেটাকে Skilled migration বলা হয়। ৮০ - ৯০ দশকে, এমন সুবিধা ছিলো, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য। ২০০০ সালের আগে-পরে, এমন সুযোগ হয়েছে আই টি বিষয়ক ডিগ্রীধারীদের জন্য। ২০১০ এর পরে, সবচেয়ে বেশী সুযোগ হয়েছে জীববিজ্ঞান ও কৃষি বিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষিত বা দক্ষ লোকজনের জন্য। হ্যা, উন্নত দেশগুলি ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাই, তারা কৃষি বিষয়ক দক্ষ জনগোস্টি নিচ্ছে। বর্তমান ও ভবিষ্যতে, সবচেয়ে চাহিদাপূর্ণ ও সুবিধাজনক বিষয় (subject) হলো কৃষি বিজ্ঞান।

Tuesday, December 14, 2021

জীবনের খাতা

জীবনের ১৫ টা কঠিন সত্য:

  1. বেশিরভাগ বন্ধুত্বই চিরকাল স্থায়ী হয় না। সেরা বন্ধু (বেস্ট ফ্রেন্ড) একসময় শুধু বন্ধু হয়ে যায়, বন্ধু একসময় পরিচিত মানুষে পরিণত হয় এবং পরিচিতরা অপরিচিত হয়ে যায়।
  2. সৌন্দর্য এবং সুদর্শনদের কদর বেশি। লোকেরা মুখে যাই বলুক না কেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৌন্দর্যের কদর অনেক বেশি।
  3. পুরো পৃথিবীটাই নিষ্ঠুর, প্রত্যেকেই কেবল নিজের ভালো খুঁজছে । তাই কখনও কারও উপর অন্ধ বিশ্বাস করবেন না।
  4. দূর থেকে অন্যদিকের ঘাস সবসময় সবুজ দেখায়। সবসময় অল্পেই সন্তুষ্ট এবং খুশি থাকতে শিখুন, যদিও অনেক কিছুই অর্জনের আকাঙ্ক্ষা থাকে।
  5. কেউই বিনামূল্যে একবেলা খাওয়াবে না আপনাকে । বেশিরভাগ মানুষের খটকা দয়া ও অনুগ্রহের পিছনে নিশ্চয়ই কোনও উদ্দেশ্য থাকে ।
  6. আপনি সফল হলে আর বন্ধুর অভাব থাকবে না। কিন্তু যদি ব্যর্থতার মুখোমুখি হন তবে সেই বন্ধুরা আপনাকে ছোট করার আগে দু'বার ভাবেনা।
  7. মানুষের সমালোচনা করা একটা স্বভাব। আপনি যা-ই করুন না কেন, সবাই আপনাকে বিচার করেই যাবে।
  8. কথা মুখের বাইরে বেরোলেই আর ফেরত আনা যায়না । তাই কিছু বলার আগে দু'বার ভাবুন।
  9. অর্থের অভাব থাকবেই। যারা ইতিমধ্যেই ধনী তারাই কেবল বলে যে অর্থের কোনও গুরুত্ব নেই।
  10. শুধু শুধু পরিশ্রম সাফল্যে আনে না। কঠোর পরিশ্রমের ক্ষেত্রে, তারাই সত্যিকার অর্থে সফল হয় যাদের পরিশ্রম ছাড়াও শক্তপোক্ত ক্ষমতা ও গোপন হাত রয়েছে।
  11. বয়স বাড়ার সাথে সাথে মুখের হাসিগুলো লোক দেখানো হয়ে যায়, আর আবেগ শুকিয়ে যায়। একমাত্র শিশুদের কাছেই সবচেয়ে খাঁটি হাসি এবং আবেগ রয়েছে।
  12. সময় হলো সবচেয়ে ভয়ংকর শক্তি। সময় সব কিছু নিরাময় করে, সবাইকে বদলে দেয়।
  13. অতিরিক্ত প্রত্যাশা হতাশার কারণ , তা অন্যের কাছ থেকেই হোক কিংবা নিজের কাছ থেকেই হোক।
  14. অনুশোচনা তিক্ত হতে পারে। খারাপ পছন্দের কারণে অনুশোচনা, ব্যর্থ সম্পর্কের কারণে আফসোস, দুটোই খুব খারাপ।
  15. জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী হয় না। সুতরাং প্রতিটি অভিজ্ঞতাকেই উপভোগ করা উচিত।

1। সবসময় খুশি থাকার চেষ্টা করা

2। সবসময় নিজেকে নিয়ে আশাবাদী থাকা

3। ব্যায়াম করা

4। সবার সাথে ভালো আচরণ করা

5। যেসব কাজ করতে পছন্দ করেন যেমনঃ গান গাওয়া, বই পড়া ইত্যাদি।

6।সবকিছু সিরিয়াসলি নিবেন না

7।অন্যর সাথে নিজের তুলনা করবেন না

8। প্রকৃতিকে ভালোবাসুন

9। পরিমিত খাবার ও পরিমিত ঘুম

10। চিন্তামুক্ত থাকুন

11। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন

12।মানুষকে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব তৈরি করুন

13। নিজের ওপর আস্থা রাখুন।

14। নিজেকে ভালোবাসুন ও সময় দিন

15। প্রাণ খুলে হাসুন।

জীবনের বাণী

জীবনের ১৫ টা কঠিন সত্য:

  1. বেশিরভাগ বন্ধুত্বই চিরকাল স্থায়ী হয় না। সেরা বন্ধু (বেস্ট ফ্রেন্ড) একসময় শুধু বন্ধু হয়ে যায়, বন্ধু একসময় পরিচিত মানুষে পরিণত হয় এবং পরিচিতরা অপরিচিত হয়ে যায়।
  2. সৌন্দর্য এবং সুদর্শনদের কদর বেশি। লোকেরা মুখে যাই বলুক না কেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই সৌন্দর্যের কদর অনেক বেশি।
  3. পুরো পৃথিবীটাই নিষ্ঠুর, প্রত্যেকেই কেবল নিজের ভালো খুঁজছে । তাই কখনও কারও উপর অন্ধ বিশ্বাস করবেন না।
  4. দূর থেকে অন্যদিকের ঘাস সবসময় সবুজ দেখায়। সবসময় অল্পেই সন্তুষ্ট এবং খুশি থাকতে শিখুন, যদিও অনেক কিছুই অর্জনের আকাঙ্ক্ষা থাকে।
  5. কেউই বিনামূল্যে একবেলা খাওয়াবে না আপনাকে । বেশিরভাগ মানুষের খটকা দয়া ও অনুগ্রহের পিছনে নিশ্চয়ই কোনও উদ্দেশ্য থাকে ।
  6. আপনি সফল হলে আর বন্ধুর অভাব থাকবে না। কিন্তু যদি ব্যর্থতার মুখোমুখি হন তবে সেই বন্ধুরা আপনাকে ছোট করার আগে দু'বার ভাবেনা।
  7. মানুষের সমালোচনা করা একটা স্বভাব। আপনি যা-ই করুন না কেন, সবাই আপনাকে বিচার করেই যাবে।
  8. কথা মুখের বাইরে বেরোলেই আর ফেরত আনা যায়না । তাই কিছু বলার আগে দু'বার ভাবুন।
  9. অর্থের অভাব থাকবেই। যারা ইতিমধ্যেই ধনী তারাই কেবল বলে যে অর্থের কোনও গুরুত্ব নেই।
  10. শুধু শুধু পরিশ্রম সাফল্যে আনে না। কঠোর পরিশ্রমের ক্ষেত্রে, তারাই সত্যিকার অর্থে সফল হয় যাদের পরিশ্রম ছাড়াও শক্তপোক্ত ক্ষমতা ও গোপন হাত রয়েছে।
  11. বয়স বাড়ার সাথে সাথে মুখের হাসিগুলো লোক দেখানো হয়ে যায়, আর আবেগ শুকিয়ে যায়। একমাত্র শিশুদের কাছেই সবচেয়ে খাঁটি হাসি এবং আবেগ রয়েছে।
  12. সময় হলো সবচেয়ে ভয়ংকর শক্তি। সময় সব কিছু নিরাময় করে, সবাইকে বদলে দেয়।
  13. অতিরিক্ত প্রত্যাশা হতাশার কারণ , তা অন্যের কাছ থেকেই হোক কিংবা নিজের কাছ থেকেই হোক।
  14. অনুশোচনা তিক্ত হতে পারে। খারাপ পছন্দের কারণে অনুশোচনা, ব্যর্থ সম্পর্কের কারণে আফসোস, দুটোই খুব খারাপ।
  15. জীবনে কোনো কিছুই স্থায়ী হয় না। সুতরাং প্রতিটি অভিজ্ঞতাকেই উপভোগ করা উচিত।

life destination

. ছোটবেলায় রূপকথার গল্প শুনতাম, গল্পের শেষে লেখা থাকতো, "তারপর তারা একসাথে চিরসুখী হয়ে থাকতে লাগলো(or then they lived happily ever after.)।" এটা হলো গিয়ে ছোটবেলায় শেখা সবথেকে বড়ো ভাঁওতা। কারণ আপনার জীবনে হঠাৎ কোনো মুহূর্ত আসবেনা, যে সেই মুহূর্তের পর থেকে আপনি চিরসুখী হয়ে যাবেন।

২. "একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে"। এই কথাটাও ভুল। সবকিছু একসাথে কোনোদিনই ঠিক হবে না। তবে হ্যাঁ, যে সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, সেই সমস্যার সমাধান হবে, অবস্থার পরিবর্তন হবে। কিন্তু সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে না। যখন আজকের সমস্যা গুলো থাকবে না, তখন কিছু নতুন সমস্যা তৈরী হবে।

৩. "এখন যে সমস্যার মধ্যে যাচ্ছেন, সেটাই আপনার জীবনের সব থেকে বড় সমস্যা"। কথাটা আংশিক সত্য। যখন আপনি সমস্যাতে পড়েছেন, হতে পারে ততদিন অবধি সেটা আপনার জীবনের সবথেকে বড়ো সমস্যা। কিন্তু বিশ্বাস করুন, জীবন আপনার সামনে আরো অনেক বড়ো বড়ো সমস্যা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

৪. লোকে যতোই বলুক, টাকাই সবকিছু নয়- তারমানে এই নয় যে টাকার সাথে শান্তির, সুখের কোনো সম্পর্ক নেই। বাঁচতে গেলে, সুখে-শান্তিতে থাকতে গেলে টাকার দরকার। বড়লোক হওয়ার আগে দার্শনিক হওয়া ভালো না। টাকা আয় করুন। জমিয়ে রাখুন।

৫. সংসার শুধুমাত্র ভালোবাসা দিয়ে টিকিয়ে রাখা যায় না। কারণ, অভাব যখন আসে দরজায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।

৬. অক্সিজেন ছাড়া কয়েক মুহূর্ত বাঁচা যায়, জল ছাড়া কয়েকদিন, খাবার ছাড়া এক - দু মাস। কিন্তু আশা ছাড়া মানুষ এক মুহূর্ত বাঁচতে পারে না। যতো দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাক না কেন, মানুষ "ভালো" কিছু ঘটবে এই আশা নিয়েই বেঁচে থাকে। সব স্বপ্ন-আশা হারিয়ে গেলে মানুষ আত্মহত্যা করে। ( আত্মহত্যা করা উচিত নয়, কেউ কোনোদিন আত্মহত্যা করার কথা ভাবার আগে, অন্যের সাথে আলোচনা করুন, দেখবেন হাজার পথ বেরিয়ে আসবে)।

….hope is a good thing, maybe the best of things, and no good thing ever dies. (The Shawshank Redemption)

৭. যে ঘটনাটি আপনার কপালের দূর্ভাগ্য ভাবছেন, হয়তো সেটিই আপনার জীবনের সবথেকে সৌভাগ্যের। আপনি শুধু এই মুহূর্তে বুঝতে পারছেন না।

৮. "দুঃখ-কষ্ট হীন জীবন" বলতে কিছু হয় না । জীবন সমস্যাবহুল। যে জিনিসটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো, আপনি কিভাবে সমস্যার সাথে লড়াই করে এগিয়ে যাচ্ছেন।

৯. কেরিয়ারের গুরুত্ব বিয়ের থেকে অনেক বেশি। এটা ছেলে বা মেয়ের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য।

১০. এটা একটু অদ্ভুত, কিন্তু না বলে থাকতে পারলাম না। বিয়ের অতিরিক্ত অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা আর জাঁকজমক বজায় রাখতে গিয়ে ব্যাংক থেকে এতো বেশি লোন নেবেন না, যাতে পরের ১০ বছর ধরে সেটা আপনাকে শোধ করতে হয়।